Tuesday, 08 May 2012 11:02
পুলিশি বাধার মুখে রাজধানীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করতে পারেনি তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে কমিটির বিক্ষোভ মিছিল মতিঝিলে বিদ্যুৎ অফিসের দিকে যাওয়ার পথে দৈনিক বাংলা মোড়ে বাধার মুখে পড়ে। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় কমিটির নেতারা পুলিশি বাধার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি দেন।
কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি বাতিল, অচল রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো মেরামত, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা, কনোকোফিলিপসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল, রামপালে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি সারা দেশে বিক্ষোভ ও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে প্রেসক্লাব থেকে একটি মিছিল মতিঝিলের বিদ্যুৎ অফিসের দিকে যায়। মিছিল নিয়ে কমিটির নেতা-কর্মীরা দৈনিক বাংলা মোড় অতিক্রম করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে মিছিলকারীদের ধস্তাধস্তিতে চার-পাঁচজন আহত হয়।
পুলিশের বাধার প্রতিবাদে মিছিলকারীদের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, যে পরিমাণ নির্যাতন হবে, সেই পরিমাণ প্রতিবাদ হবে। কমিটির সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে। ঘেরাও কর্মসূচি নয়, এরপর আসবে দখল কর্মসূচি। জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সরকারি দপ্তর দখলের কর্মসূচি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ দেশের জনগণের স্বার্থ দেখার জন্য কোনো সরকার এখনো আসেনি। জনগণের স্বার্থ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।
মিছিল শুরুর আগে প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বিদ্যুতের লাগাতার ঘাটতি হরতালের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। বিদ্যুতের ঘাটতিতে এক মাসে যে ক্ষতি হয়, ছয় মাসের হরতালেও সেই ক্ষতি হয় না। তিনি বলেন, জ্বালানি একটি ক্ষতিকর রাজনীতির উপাদানে পরিণত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সমাবেশে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব ছাড়াও রুহিন হোসেন প্রিন্স, জুনায়েদ সাকি, রাগিব হাসান মুন্না, সাইফুল হক, মোশরেফা মিশু, আবদুস সাত্তার, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
129, Shenpara Parbata, Mirpur-10, Dhaka-1216, Bangladesh. Phone: 88029007039 Cell: 8801711584519 E-mail: editor@topbdnews.com