মানব শরীরে ২০৬টি হাড় আছে। স্বাভাবিক গঠনে হাড়ে আমিষ, কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম থাকে বলে হাড় শক্তিশালী হয়। ৩০ বছর বয়সে হাড়ের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং হাড় মজবুত থাকে। একে হাড়ের পিক (চবধশ) পরিমাণ বলে। প্রাকৃতিক নিয়মে ৩০ বছরের পর থেকে মানব শরীরে হাড়ের ঘনত্ব ও পরিমাণ কমতে থাকে, হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হতে থাকে। ফলে হাড় অতি সহজেই
ভেঙে যায়।
কটনবাড ব্যবহার করে মৃত্যুবরণ করা বিরল ঘটনা। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটে কানাডার মন্ট্রিলে। ঘটনা তদ-কারী কর্মকর্তা ডাঃ জেসক রামসে কানাডার স্বাস্থ্য বিভাগকে বলেছেন যে, কটন বাডের প্যাকেটের ওপর সতর্কবাণী লিখে দিতে। মন্ট্রিল নিবাসী ৪০ বছর বয়স্ক মি. ডেনিয়েল সেন্ট পিয়ে গত বছর মৃত্যুবরণ করেছেন।
আগের সংবাদ নাক, কান ও গলার সমস্যা
পরামর্শ দিয়েছেন
আবুল হাসনাত জোয়ারদার
নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
হূৎস্বাস্থ্য নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ব্যানার চার্চিল কমিউনিটি হাসপাতালের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান চিকিৎসক এরিক হার্জোগ।
জানতে হবে হূৎস্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো এবং করতে হবে প্রতিরোধ।
তিনটি বড় ঝুঁকি
অনেকে প্রাচীন বাক্য ‘প্রতিরোধই শ্রেষ্ঠ ওষুধ’—এতে তেমন বিশ্বাস করেন না। তাঁদের জন্য বলি, নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা, এমনকি প্রতিরোধ করা ও হূদরোগের তিনটি বড় ঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়টি নিজের হাতে।
সেই তিনটি বড় ঝুঁকি হলো ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের উচ্চমান কোলেস্টেরল।
কোমরে ব্যথার কারণ অনেক। নড়াচড়া বা চলাফেরা করার সময় কোমরের অবস্থান সঠিক না থাকলে কোমরে ব্যথা হয়ে থাকে। তবে কোমরে ব্যথা বয়স বাড়লে সাধারণত লাম্বার স্পনডাইলোসিসের জন্য হয়ে থাকে। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের ফলেই এ রোগের সূত্রপাত হয়। তরুণাস্থির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীল পরিবর্তনসাধিত হয়। সাধারণত এ পরিবর্তন ৩০ বছর বয়স থেকে শুরু হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগের উপসর্গও বাড়তে থাকে।
দেশের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা· এবিএম আব্দুল্লাহ’র চিকিৎসা শাস্ত্রের দু’টি সহায়ক গ্রন্থ এখন বিশ্বের ৩০টি দেশে প্রকাশ করা হচ্ছে।
ডিম আমাদের একটি প্রিয় খাবার। সন্দেহাতীতভাবে ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার। হঠাত্ অতিথি আপ্যায়নে আমাদের দেশে ডিমের কদর অনেক আগে থেকেই। এ কথা হলফ করেই বলা যায় যে, ডিম খাওয়ার কথা উঠলে আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকজনই মুরগির ডিমকেই বেছে নেবেন।
ঢাকা: পেটে ব্যথা, সঙ্গে বুক জ্বালা? অম্লচূর্ণ, পাচন, শিশির পর শিশি হোমিওপ্যাখথি ওষুধ, মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টাসিড মায় কেউ কেউ মন্দির বা পীরবাবার জলও খাচ্ছেন দিনের পর দিন। লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না, বরং উত্তরোত্তর পেটের ব্যথা বেড়েই যাচ্ছে।
কেন এত ব্যথা? গল ব্লাডারের পাথর নয় তো? গল ব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথর থাকলে তা অপারেশন আজকাল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। আমাদের দেশে আলট্রাসোনোগ্রাফির ব্যবস্থা যত বাড়ছে ততই বেশি করে পিত্তথলির পাথর ধরা পড়ছে।
টাইফয়েড একটি পানিবাহিত রোগ। খাবার ও পানির মাধ্যমে জীবাণুদ্ব্বারা সংক্রমণের কারণে অনেকে এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর লক্ষণগুলো হচ্ছে অধিক জ্বর (১০৩০সে. থেকে ১০৪০সে. পর্যন্ত), অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, পেটে ব্যথা ইত্যাদি।
সারাবিশ্বে বছরে টাইফয়েডে প্রায় ৩ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয় এবং প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ মারা যায়। স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে আমাদের দেশে এ রোগের প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি। পরিতাপের বিষয় শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। প্রতি ১,০০০ শিশুর মধ্যে বাংলাদেশে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০ জন শিশু যা কিনা অন্যান্য বয়সীদের তুলনায় ৯ গুণ বেশি। ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় সবচেয়ে বেশি এবং এর ৮৫% শিশুই আক্রান্ত হয় ২-৪ বছরের মাঝে।
বাইরের বাতাস কানে প্রবেশ করে এবং এই বাতাসের সঙ্গে ধূলা-ময়লা-জীবাণুসহ আরো নানা জিনিস কানে প্রবেশ করে। এ সব জিনিস যেনো কানের কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য কানে তেল জাতীয় এক রকম পদার্থের নিঃসরণ ঘটে। এই পদার্থের নিঃসরণ ঘটে কর্ণ-নালীর ত্বকের ক্ষুদ্র এক জাতীয় গ্লান্ড থেখে। দেহে এ জাতীয় গ্লান্ড বা গ্রন্থি আরো আছে। আমাদের দেহে যে ঘাম বের হয় তাও একটি গ্লান্ড থেকে উৎপন্ন হয়। কানের এই তেল জাতীয় পর্দাথের সঙ্গে বাইরের ময়লা মিশে যে জিনিসের তৈরি হয় তাকে কানের খইল বলা হয়। অর্থাৎ এ ভাবেই বাইরের ময়লাকে কান আটকে দেয়।
ঢাকা: মাশরুমে আছে জাদু। বিষয়টি এখন বিজ্ঞানীরাও মেনে নিয়েছেন। কারণ মাশরুম বা ছত্রাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যপ্রাণ৷ তবে সব উপাদানই যে নির্দোষ, তা বলার সুযোহ অবশ্য নেই৷ উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অ্যামানিটা নামের মাশরুম এতোই বিষাক্ত, এর একটি খেলেই মৃত্যু হতে পারে৷ অন্যদিকে মাশরুমে রোগ সারানোর উপাদানও থাকে প্রচুর৷
ওয়াশিংটন: যাদের খাদ্য তালিকায় মাছের পরিমাণ বেশি থাকে, তাদের জন্য সুখবর শোনালেন গবেষকরা৷ তারা দাবি করছেন, মাছ বেশি খেলে কোলোন টিউমার এর শঙ্কা কমে, যা প্রকারান্তরে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়৷ এই গবেষণা অবশ্য মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য৷
মহিলাদের মধ্যে যারা প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিনবার মাছ খান, তাদের কোলন অর্থাৎ মলাশয়ের টিউমার হওয়ার আশঙ্কা কম৷ এই টিউমার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে৷ সপ্তাহে যারা একবার মাছ খান, তাদের সঙ্গে তুলনা করে এই তথ্য জানিয়েছেন গবেষকরা৷
আমেরিকার বিজ্ঞানীরা ত্বককে ব্রেন সেল বা মস্তিষ্ক কোষে রূপান্তরের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। তাদের এই সাড়া জাগানো গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘প্রসিংডিংস অব ন্যাশনাল অ্যকাডেমি অব সায়েন্সেস’ নামের বিজ্ঞান সাময়িকীতে।
বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তারা তাদের এই সাফল্যে ‘অভিভূত’। কারণ আগামীতে এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব উপহার দেবে।
বছরের পর বছর একই স্থানে শাড়ির গিঁট বাঁধা নারীস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা। তারা ত্বকের এই সমস্যার নাম দিয়েছেন শাড়ি ক্যান্সার।
ইনডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাময়িকীর নভেম্বরের সংখ্যায় এই নিয়ে একটি লেখা ছাপা হয়েছে, যা নিয়ে সোমবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
শাড়ি ক্যান্সার নিয়ে গবেষণারত মুম্বাইয়ের গ্রান্ড মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক জি ডি বকশী জানান, গত দুই বছরে তিনি তিন জন কোমরের ত্বকের ক্যান্সারের রোগী পেয়েছেন।
ডাক্তারখানা থেকে ফেরার পথে ঝুমির মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল| নিজের অজান্তেই ঘনঘন নিঃশ্বাস নিচ্ছিল সে রাস্তা পার করার সময় | কেন এমনটা হলো তার| মনে মনে বিড়বিড় করছিল সে, “ভীতু মেয়ে তো নই আমি...রামভদ্র...তাহলে কেন উনি এসব বললেন? ধুর ডাক্তারটাই বাজে...না বুঝে, না জেনে বলে গেল! যত্ত সব আজে বাজে কথা...ধুর!”
Page 1 of 13
129, Shenpara Parbata, Mirpur-10, Dhaka-1216, Bangladesh. Phone: 88029007039 Cell: 8801711584519 E-mail: editor@topbdnews.com