চিড়িয়াখানা কাকে বলে তা আমরা সবাই জানি। সেখানে বিশ্বের নানা রকম জন্তু-জানোয়ার, পশু-পাখি, মাছ ইত্যাদি ধরে রাখা হয়। চিড়িয়াখানায় না গেলে পশু-পাখি সম্পর্কে জানা যায় না। অনেক রকম পশু, পাখি, মাছ ইত্যাদি নিয়ে ১১৫০ সালে চীনের এক রাজা নিজের জন্য একটি চিড়িয়াখানা স্থাপন করেন, যেখানে অন্য রাজারা আর সভাসদরা যেতে পারতেন। সেকালের রাজা-বাদশাহরা নিজেদের শখের জন্য চিড়িয়াখানা রাখতেন। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে এখনও এমন একটি চিড়িয়াখানা টিকে আছে।
ছবিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে দুটি পশু। দেখতে অনেকটা ঘোড়ার মতো, কিন্তু ঘোড়ার গায়ে কি অমন ডোরাকাটা দাগ থাকে? থাকে না। তাই ধরন-ধারণে আর সাইজে ঘোড়ার মতো দেখতে হলেও ঐ পশু দুটি ঘোড়া নয়। আশ্চর্য সুন্দর এই পশুর নাম জেব্রা। এদের সারা শরীর জুড়ে চমত্কার সাদা-কালো ডোরাকাটা, যেন কোনো দক্ষ শিল্পী তার নিপুণ তুলির আঁচড়ে নিখুঁতভাবে ছবি এঁকেছেন!
এক দেশে হঠাৎ আকাল দেখা দিলো। খাবার ও কাজের খুব অভাব হলো। সবাই কাজের সন্ধানে অন্য দেশে চলে যেতে শুরু করলো। সেখানকার এক গ্রামে মোহাম্মদ আলী নামে এক যুবক ছিল।
সেও দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যাওয়ার চিন্তা করলো। কিন্তু সে মনে মনে ভাবল তার কিছু বুদ্ধি প্রয়োজন। সেই দেশে তালুকদার মিয়া নামে এক প্রবীণ লোক ছিলেন। গ্রামের সবাই তাকে তালুকদার কাকা বলে ডাকে। টাকার বিনিময়ে সে বুদ্ধি বিক্রি করে।
নিহাল আর অন্তর কাকডাকা ভোরে ছাদে উঠল। পনেরো তলার ছাদ থেকে ভোর দেখতে তাদের খুব ভালো লাগে। আজ ছাদে গিয়ে তারা একটা ধাক্কা খেল। ছাদের এক কোনায় খুব সুন্দর একটা যান। অনেকটা মোটরসাইকেলের মতো। পাশে ছাদের রেলিংয়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত প্রাণী। গায়ের রং ধূসর সাদা। মাথাটা বেশ বড়। তবে কোনো চুল নেই। ভ্রু নেই। চিবুক ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’র মতো। মানুষের মতো লম্বা না হলেও হাত দুটি বেশ লম্বা। লম্বা জোব্বা পরা। অনেকটা সুপারম্যানের মতো দেখা যায়। এ রকম প্রাণী তারা আগে কখনো দেখেনি। দুজনই ভড়কে গেল।
গাছপালা আমাদের অনেক ধরনের প্রয়োজন মেটায়। এর মধ্যে খাবার, অক্সিজেন এবং ওষুধের কাঁচামাল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু গাছের আরেকটি দরকারি ব্যবহারের কথা আমরা খুব একটা জানি না। এই ব্যবহার হচ্ছে রং নিয়ে। কিছু কিছু গাছ থেকে সরাসরি রং পাওয়া যায়। ইচ্ছে করলে তোমরাও এসব রং দিয়ে ছবি আঁকতে পারো। এবার দেখা যাক, রঙের গাছগুলো তোমরা কতটা চেনো।
ছোট্ট একটি মেয়ে। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরেই বাড়ির পাশে কেটে ফেলা ধানের মাঠে খেলতে নামে। নাম তার চন্দ্রকণা। ও যখন এলো চুল উড়িয়ে, ফরসা গালে লালচে আভা ফুটিয়ে খেলে, তখন ওর দিক থেকে চোখ ফেরানোই দায়।
এমনি একদিন। মাত্রই এক্কা-দোক্কা খেলা শুরু করেছে চন্দ্রকণা। ওই দিন তার দুই পায়ে লাল আলতা পরিয়ে দিয়েছে মা। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পরিয়ে দিয়েছে সবুজ রঙা জামা। হাতে রেশমি চুড়ি। লালচে কালো কোঁকড়া চুলগুলো ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে ও যখন খেলছিল, তখন আজ যেন ওকে আরও সুন্দর লাগছিল।
মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে এগিয়ে যাচ্ছে শিশুরা। ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে শতকরা ৬১ জন শিশু এখন ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।
প্রতিদিন একজন শিশু গড়ে এক ঘণ্টারও বেশি সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। আর মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই তারা যুক্ত হচ্ছে ইন্টারনেটের সঙ্গে।
প্রথমে মুখ কুঞ্চিত করি, তারপর জিহ্বাটা সরু করে বের করে দেখাই। সঙ্গে একটা একঘেয়ে শব্দ। কাউকে ভেংচি কাটার এই শাশ্বত উপায়টির সঙ্গে আমরা ভালোই পরিচিত। কিন্তু স্বাদ গ্রহণের জন্য অতি প্রয়োজনীয় এই জিহ্বার এমন অপপ্রয়োগ কীভাবে চালু হলো? এটা আসলে আমাদের শৈশবের একটি অভ্যাস। মা যখন ঠুসে ঠুসে খাওয়াতে চেষ্টা করেন, তখন শিশুরা জিহ্বাটা চোখা করে ঠেলে মুখ থেকে খাবার বের করে দেয়।
একসময় মানুষের ঘুম ভাঙতো পাখির ডাক শুনে। আহা! কি মধুরই না ছিল সেই সব দিনগুলো। পাখির কলকাকলি শুনে ঘুম ভাঙলে মনটাই তো ভালো হয়ে যায়। অথচ আজকাল পাখিদের দেখা পাওয়াই মুশকিল। গ্রামে যদিও বা কিছু পাখি দেখতে পাওয়া যায়, ঢাকা শহরে তো এক কাক ছাড়া অন্য কোনো পাখি খুঁজে পাওয়াই ভার। এর মানে বুঝতে পারছো তোমরা? পাখির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।
ঢাকা: বাংলাদেশে শিশুতোষ চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘পঞ্চম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব-২০১২’ শুরু হচ্ছে ২১ জানুয়ারি। চলবে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
প্রতিবারের মতো এবারও উৎসবটি আয়োজন করছে চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ। এবারের উৎসবের স্লোগান ‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামীর স্বপ্ন’। উৎসবটি উৎসর্গ করা হচ্ছে প্রয়াত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরের উদ্দেশে।
আবারও ফুরিয়ে এলো বছর, দরজায় কড়া নাড়ছে আনকোরা নতুন আরেকটি বছর। হাজারো স্মৃতি নিয়ে একদিকে বিদায় নিচ্ছে পুরোনো ২০১১ সাল, আর নতুন নতুন না-জানা সব গল্প নিয়ে হাজির ২০১২ সাল। আর মাত্র ক’টা দিন, তারপর তোমাদের খাতায় (যদিও এখন তোমাদের পরীক্ষা শেষ, শীতকালীন ছুটি চলছে), পত্রিকার পাতায় তারিখের শেষে ২০১১-র বদলে লেখা হবে ২০১২। তার আগে তো জেনে নেওয়া দরকার, কিভাবে শুরু হলো ইংরেজি নববর্ষ পালনের এই প্রথা, তাই না?
জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা গতকাল শুক্রবার সেগুনবাগিচাস্থ মেলাভবন প্রাঙ্গণে দুইদিনব্যাপী শিশু-কিশোরদের জন্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পল্লীকবি জসীম উদ্দীন এবং বিজ্ঞান লেখক ড. আবদুল্লাহ-আল-মুতি শরফুদ্দিনের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গতকাল সকালে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মেলার ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক শিল্পী রফিকুন নবী (রনবী)।
গতকাল ছিল আমার জন্মদিন। সব বন্ধুকে দাওয়াত করেছি। এবারের জন্মদিন একটু ব্যতিক্রমই মনে হচ্ছে। কারণ দিনটিতে শুধু বন্ধুরা নয়, আঙ্কেল বাবাও উপস্থিত ছিলেন। প্রায় প্রতিবছর এ দিনটিতে আঙ্কেল বাবা অর্থাৎ আমার বড় খালু হয় ইতালি, নয় মরক্কো, নয় মিসর এমনি কোথাও না কোথাও যেতেন। তার শখ দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানো। পৃথিবীর কত দেশে যে গেছেন, হিসাব নেই। আর ফেরার সময় সুন্দর সুন্দর উপহার নিয়ে আসতেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিস্ময়কর নিদর্শন হ্রদ বা লেক। লেক ইংরেজি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ পুকুর, নালা, ডোবা, পরিখা, জলাশয় ইত্যাদি। কিন্তু ‘লেক’-এর বাস্তব পরিচয় এর চেয়েও বেশিকিছু। লেক পুকুর, ডোবা ইত্যাদির মতো ছোট জলাশয় নয়; অনেক ক্ষেত্রে তা নদীর চেয়েও বিশাল। তবে হ্রদ বা লেকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তা নদীর মতো প্রবাহিত হয়ে অন্য নদী বা সাগরের সাথে মেশে না। লেক হলো আবদ্ধ জলাশয়। কোনো কোনো লেকের দৈর্ঘ্য, গ্রস্থ এবং গভীরতা এত বেশি যে তা দেখে রীতিমতো ভিমরি খাওয়ার অবস্থা হয়।
ভূত নিয়ে আমার কোন ধারণা নেই। তবে ধারণা না থাকলেও এই বস্তুকে আমি প্রচণ্ড ভয় পাই।
রাত ১২টায় যখন ঘুমাতে যাই, তখন রাস্তার গাড়ির হর্ণে বুক কাঁপে। সকাল ৫টায় যখন অ্যালার্মের সময় মোবাইল যখন ভাইব্রেট করে তখন ঘুমের মধ্যেই কাঁপতে থাকি, মনে হয় ভুমিকম্প হচ্ছে। এই ভয় কাটতে ১-২ ঘণ্টা সময় লাগে। এজন্য ভোর ৫টায় ঘুম ভাঙ্গলে আমি উঠি ৭টায়।
বাংলাদেশে তোমাদের মধ্যে যারা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, তারা তো ডিসেম্বর মাসটি এলেই ক্রিসমাসের জন্য দিন গুনতে শুরু করো। আর যারা খ্রিস্টান নও, তারাও কিন্তু ক্রিসমাসকে একদমই ভুলে থাকো না; ডিসেম্বর মাস যতোই শেষের দিকে আসতে থাকে, ততোই তোমরা ক্রিসমাসের কথা ভাবতে শুরু করে দাও। আর কিছু না হোক, সেদিন তো আব্বু-আম্মুরও ছুটি! বাসায় সবাই মিলে মজা তো করা যায়-ই, চাই কি বাইরে থেকে খুব করে ঘুরেও আসা যায়।
Page 1 of 3
129, Shenpara Parbata, Mirpur-10, Dhaka-1216, Bangladesh. Phone: 88029007039 Cell: 8801711584519 E-mail: editor@topbdnews.com